বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করলে জাতীয় সংহতি আরো মজবুত হবেঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক

হলি সিলেট ডেস্কঃ
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির দিক থেকে একটি বৈচিত্রময় দেশ। এই বৈচিত্র আমাদের জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকারক নয়; বরং সহায়ক। বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করলে আমাদের জাতীয় সংহতি আরো মজবুত হবে। আমাদের প্রতিটি জাতীয় অর্জনে ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, ভাষা, সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। নৃতাত্ত্বিক, ভাষাতাত্ত্বিক বা ধর্মতাত্ত্বিক পরিচয় যেন বৈষম্য ও বঞ্চনার হাতিহার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আদিবাসী যুবকদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে নিজ নিজ সমাজের সমস্যা সমাধানে ব্রতি হতে হবে। পরিবেশ প্রতিবেশ, বন ও বন্যপ্রানী, নিজ নিজ আবাসভূমি রক্ষায় আদিবাসী যুবসমাজকে সদাজাগ্রত থাকতে হবে। দেশের সকল জনগোষ্ঠির জন্য সাম্য ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে। ২২ মার্চ ২০২৫ শনিবার সকাল ১০ টায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া লক্ষীপুর মিশনের সেন্ট ইউগেন্স ইউম্যান ডেভেলপমেন্ট এন্ড ফরমেশন সেন্টারে কাপেং ফাউন্ডেশন, আপিডিএস, কুবরাজ আন্তঃপুঞ্জি উন্নয়ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এবং ইফাদ ও ফিলিপাইনের তেবতেব্বার সহায়তায় দু’ দিন ব্যাপী ‘আদিবাসী যুব সম্মেলন ২০২৫’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
কাপেং ফাউন্ডেশনের এক্টিং চেয়ারপার্সন গৌরাঙ্গ পাত্রের সভাপতিত্বে ও প্রজেক্ট কোর্ডিনেটর হিরন মিত্র চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর কেন্দ্রীয় সংগঠক ফাদার যোসেফ গোমেজ, আদিবাসী ও পরিবেশ প্রতিবেশ বিষয়ক লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, কুবরাজ আন্তঃপুঞ্জি উন্নয়ন সংস্থার সাধারন সম্পাদক ফ্লোরা বাবলী তালাং, আইপিডিএসের সমন্বয়কারী রিপন চন্দ্র বানাই, মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট আবুল হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপেং ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক উজ্জল আজিম। সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও সকলে দাড়িঁয়ে সম্মান জানান। সম্মেলনে সারাদেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির ৫০ জন যুবক অংশ নেন। দু’দিন ব্যাপী সম্মেলনে অনেকগুলো টেকনিক্যাল সেশন ও কর্মশালা রয়েছে। দেশের প্রতিথযশা গবেষক ও আদিবাসী বিশেষজ্ঞগণ এসব টেকনিক্যাল সেশন ও কর্মশালা পরিচালনা করবেন।