খালিঘাট বস্তাপট্টি মার্কেটের নিচে চায়ের দোকান ও গলিতে শরিফের ভারতীয় তীর খেলার মহোৎসব।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঈদ কে সামনে রেখে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করে নগরীর কালীঘাট বস্তাপট্টি মার্কেটের আাশপাশে ও অলিগলি সহ চায়ের দোকানে বসে জুয়ারী শরিফের নেতৃত্বে ভিন্ন কৌশলে চলছে ইন্টারনেট ভিত্তিক ভারতীয় শিলং তীর নামক জুয়ার রমরমা প্রতারণা।
অনলাইন ভিত্তিক জুয়া ভারতীয় তীর খেলাটির স্থান পরিবর্তন করে এক ভিন্ন কৌশলে স্থানীয় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে নিষিদ্ধ এই জুয়া অনলাইন ভিত্তিক তীর খেলা।

 

জানা গেছে, কালিঘাটের বস্তাপট্টি নামক মার্কেটে নিচ তলায় রড-সিমেন্টসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান। আর এই মার্কেটের দু’তলার ছাদের উপরেই দর্ঘদিন থেকে চলতো নিষিদ্ধ এই তীর খেলার জমজমাট ব্যবসা । এখন আর দুতলার ছাদে নয়, এখন থেকে মার্কেটের নিচের চায়ের দোকান অলিগলি ও রাস্তার আশে পাশে চলে মোবাইলের মাধ্যমে রমরমা ভারতীয় তীর খেলার জুয়া ব্যবসা।

সময় সুযোগে শরিফ কৌশল অবলম্বন করেছে।
আগে সে নিজেই ছাদের উপরে বসে নিয়ন্ত্রণ করতো জুয়ার আসর এখন আর তার প্রয়োজন পড়েনা ঘটনা স্থলে আসার। অতি সহজে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমেই সব নিয়ন্ত্রণ হয় দূর থেকে এমনটাই জানায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি।

সূত্র আরোও জানায় বড়সর জায়গার আর প্রয়োজন হয়না প্রয়োজন একটি ভালো মানের মোবাইল ফোন, আর এই ফোনে থাকতে হবে ইন্টারনেট সংযোগ। তাতেই চলে অনলাইন ভিত্তিক নিষিদ্ধ ভারতীয় তীরখেলা ১০ / ১২ জনের দক্ষতা সম্পন্ন এই টিম নিয়ন্ত্রণ করে রাস্তায় চায়ের দোকান কিংবা পানের দোকানেই বসে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অপকর্ম। বস্তাপট্টি মার্কেটের গলি ও চায়ের দোকান সহ আশপাশের এলাকায় নীরবে নিভৃতে ১০/২০/৫০/১০০/৩০০/৫০০/১০০০ টাকার টোকন কাটা হয় বিকাশ ও মোবাইল এ্যাপের মাধ্যমে।
চরিয়ে ছিটিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে জুয়া খেলার নাম্বার বা টোকেন কাঁটার কারনে আর পূর্বের বস্তাপট্টির ২য় তলায় জুয়ারীদের জমাট না বাধার কারণে প্রশাসন শরিফের এই কৌশলের রূপরেখা বুঝতে পারেনী। ‘কালা জামালের’ সরাসরি নেতৃত্বে সাকিল, সেন্টু,সালমান, মাছুম ও মঞ্জু,আকাশ সহ আরোও অনেকেই গোপনে নিষিদ্ধ এই তীর খেলা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও ডিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে।

 

এই জুয়ার বোর্ডের নেতৃত্ব দেন মাদক সহ একাদিক মামলার আসামী ছাত্রদলের শরীফ আহমদ। তার বড় ভাই কালাম সিলেট জেলা তাঁতীলীগের সদস্য। আওয়ামীগের সময় বড় ভাই, ছোট ভাই শরিফকে শেল্টার দিতেন আর এখন ছোট ভাই যুবদলের হয়ে শরিফ বড় ভাই কালামকে শেল্টার দিচ্ছেন। কি এক অদ্ভুত না। শরিফের জুয়া খেলার খপ্পরে পড়ে অনেক নিরিহ দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এ যেন এক নেশার গুর শ্রমজীবী মানুষ পুরুষ এমনকি মহিলা ছেলে মেয়ে স্কুল ও কলেজ গামী ছাত্রছাত্রীরাও বাদ যায়নি তারাও একে/ সত্তর পাওয়ার আশায় প্রতিদিন বিকাল থেকে গভীররাত পর্যন্ত চলে এই মরণ নেশা তীরখেলা। নিষিদ্ধ তীর খেলার নেতৃত্বে রয়েছে কালা জামাল, সাকিল, সেন্টু,সালমান, মাছুম ও মঞ্জু,আকাশ সহ আরোও অনেকেই

প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি
এলাকার সচেতন মহলের জোর দাবী এসব জুয়ারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্তাকরলে উপকৃত হবে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। বাঁচবে শত শত পরিবার।…… চলবে ।